রাইড-শেয়ারিং এবং মোটরসাইকেল চালিয়ে টাকা উপার্জনের আমার নতুন অভিজ্ঞতা

[মোঃ শরাফত উল্যাহ মজুমদার]


জীবনে মানুষকে অনেক কিছুই করতে হয় যা আসলে নিজের নিয়ন্ত্রনে থাকেনা সবসময়। তেমনই একটি অভিজ্ঞতা অর্জন করলাম আজ।

আজ প্রথমবারের মতো উবার-এর মোটরসাইকেল চালিয়ে টাকা উপার্জন করলাম। মানুষ কতো ভাবেই তো টাকা উপার্জন করে, তবে সৎ পথে টাকা উপার্জন হলো সর্বোত্তম।

আমার অভিজ্ঞতাটি একটু ব্যতিক্রম। কারণ, জীবনের ১২ টি বছর অনেক নামী কোম্পানিতে চাকরি করার পর যখন মানুষের অমানুষ-সুলভ আচরণের কারণে চাকরি ছাড়তে বাধ্য হলাম, তখন দেখলাম উপর ওয়ালাও কোন কারণে আমার উপর নারাজ।যার ফলে হই হই করেও কোন কিছু হচ্ছে না।

যেখানে সবাই অভিজ্ঞ লোকের পেছনে ছোটে, সেখানে আমার অভিজ্ঞতা বিফল।

যাক আল্লাহ যা করেন অবশ্যই ভালর জন্য করেন।

যাই হোক, রাইড-শেয়ারিং সার্ভিসের মাধ্যমে মোটরসাইকেল চালিয়ে আজকে যা বুঝলাম, তা নিন্মে আপনাদের জন্য শেয়ার করলাম:

* মানুষ মোটরবাইক চালকদের সন্মানের দৃষ্টিতেই দেখছে।
* ব্যতিক্রম যে নেই তা নয় তবে তা নগন্য। এই ব্যতিক্রমধর্মীরা আসলে সবসময়ই এমন।
* নতুন মানুষের সাথে আমি সাধারনত সহজে মিশতে পারিনা যা আজ বুঝলাম আর কাজ করছে না।
* সব থেকে বড় সত্য হলো মানুষ মন থেকে চাইলেই সৎ থাকার অনেক উপায় আছে।
* একদিনে ১,০০০ টাকার উপর উপার্জন করা খুব কষ্টের কিছু নয়।
* নিজেকে অন্যের কাছে ছোট করার চেয়ে নিজে থেকে চেষ্টা করাটাই উত্তম এবং অসৎ পথে পা না দেয়াই শ্রেয়।

এই ছিলো রাইড-শেয়ারিং সার্ভিসের মাধ্যমে মোটরসাইকেল চালিয়ে টাকা উপার্জনের আমার নতুন এক অভিজ্ঞতা।


মোঃ শরাফত উল্যাহ মজুমদার একজন সেল্ফ-এমপ্লয়েড ব্যক্তি।


 

Hits: 39

Leave a Reply

Your email address will not be published.