সংক্ষেপে জেনে নিন বাংলাদেশে শিক্ষার স্তরসমূহ

[এম এম হাসান তুষার]


উচ্চ-শিক্ষা ব্যতীত, বাংলাদেশের শিক্ষা ব্যবস্থাকে তিনটি স্তরে ভাগ করা হয়েছে। স্কুলের ১ম শ্রেণী থেকে ৬ষ্ঠ শ্রেণী পর্যন্ত ধরা হয় প্রাথমিক স্তর, যা ৬ বছর মেয়াদী হয়ে থাকে।

মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক স্তর ৭ বছর মেয়াদী হয়। এই ৭ বছরের মধ্যে ৩ বছর জুনিয়র, ২ বছর মাধ্যমিক ও ২ বছর উচ্চ-মাধ্যমিক হিসেবে ধরা হয়ে থাকে।

সরকারি এবং বেসরকারি বিদ্যালয় দ্বারা এ শিক্ষা প্রদান করা হয়ে থাকে।

এই স্তরগুলোতে রয়েছে তিনটি সার্টিফিকেট পরীক্ষা: ১) জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট (জেএসসি) পরীক্ষা, ২) মাধ্যমিক/সেকেন্ডারী স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি), এবং ৩) উচ্চ-মাধ্যমিক/হায়ার-সেকেন্ডারী স্কুল সার্টিফিকেট (এইচএসসি)।

এই স্তরগুলোতে শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যবই উন্নয়ন, অনুমোদন ও ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে নিয়োজিত রয়েছে ‘জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড’।

এই সকল স্তর বা ধাপ উত্তীর্ণ হবার পর একজন শিক্ষার্থী চাইলে উচ্চ-শিক্ষার জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করতে পারে। বাংলাদেশে বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ের শিক্ষা ব্যবস্থার অতুলনীয় উন্নতি হয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়াশোনার জন্য একজন শিক্ষার্থীর সাধারণত ৩ থেকে ৫ বছর সময় ব্যয় করতে হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ে সাধারণত ৪ বছর মেয়াদের স্নাতক ও ১ বছর মেয়াদের স্নাতকোত্তর ডিগ্রি প্রদান করা হয়ে থাকে। সরকারি ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে এইসব উচ্চ-শিক্ষা প্রদান করা হয়ে থাকে।

বর্তমানে দেশে সরকার পরিচালিত ৩৭ টি স্বায়ত্ত-শাসিত পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় রয়েছে। এর পাশাপাশি ৯০ টিরও বেশি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় রয়েছে। তাছাড়াও, বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন বা ইউনিভার্সিটি গ্রান্ট কমিশন ( সংক্ষেপে ইউজিসি নামে পরিচিত) এর অধীনে থাকা কলেজগুলোতেও এই উচ্চ-শিক্ষার ব্যবস্থা রয়েছে।


এম এম হাসান তুষার একজন এডভোকেট। 


 

Hits: 137

Leave a Reply