কাঙ্ক্ষিত সফলতা। অতঃপর সুখ ও তৃপ্তি…!


প্রত্যেকেই নিজের জীবনে প্রতিটি কাজেই সফলতা পেতে চায়। আপনিও নিশ্চয়ই এর ব্যতিক্রম নন। কিন্তু সফলতা পাওয়ার আগেই আপনাকে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় স্থির করতে হবে।

আর এই বিষয়টি হলো: সফলতা কি?

মনে রাখবেন, সুখী ও পরিতৃপ্ত মানুষ তারাই যারা নিজেদের ব্যক্তিগত লক্ষ্য, উদ্দেশ্য, আবেগ, অভিপ্রায় ও স্পৃহার উপর ভিত্তি করে সফলতাকে সংজ্ঞায়িত করে।

তাই আপনার জন্যে সফলতা কি, তা আপনি নিজেই সংজ্ঞায়িত করুন। আর অন্যান্যদের থেকে পাওয়া সফলতার সংজ্ঞাকে পরিহার করুন।

অন্যরা কি অর্জন করেছে সেটার উপর ভিত্তি করে আপনার নিজের সফলতাকে মাপতে যাবেন না। যদি মাপেন, তাহলে সফলতা কখনই আপনার কাছে ধরা দিবে না।

আর যদি সফলতা ধরা না দেয়, তাহলে আপনি কখনই সুখ বা তৃপ্তি খুজে পবেন না।


সফলতা পাওয়ার একটি সহজ উপায় আছে। যদিও এই উপায়ে সফলতা ধরা দিবেই এমন কোনো নিশ্চয়তা নেই, তবে এই উপায়টি বেশ কার্যকর এবং অনেকেই এই উপায়ে একের পর এক সফলতা পেয়েছে।

* আপনার স্বল্পমেয়াদী লক্ষ্যগুলো একটি ডায়েরিতে লিখে রাখুন। আর যখনই আপনি একটি লক্ষ্যে পৌছবেন, তখনই তা ঐ একই ডায়েরিতে লিখুন। এভাবে একে একে আপনার লক্ষ্য অর্জনকে ডায়েরিভুক্ত করুন।

* এতে করে আপনি ছোট ছোট লক্ষ্য স্থির করছেন। লক্ষ্য ছোট হওয়াতে সেই লক্ষ্যে খুব সহজেই পৌছাতে পারবেন। এতে করে আপনার হতাশ হওয়ার কোনো সুযোগ থাকবে না, বরং আপনি অনুপ্রাণিত হবেন।

* উদাহরণ: যদি আপনি নিজের ওজন কমাতে চান, তাহলে লিখুন: “আমি ৭ দিনে ১ কেজি ওজন কমাতে চাই”। আপনি যদি ঐ সময়ের মধ্যে ঐ পরিমাণ ওজন কমাতে পারেন, তাহলে আবার লিখুন: “অর্জন: আমি সঙ্কল্পিত ৭ দিনের মধ্যেই সঙ্কল্পিত ১ কেজি ওজন কমিয়েছি”।

আপনি চাইলে আপানার আবেগও এর সাথে যুক্ত করতে পারেন। যেমন, আপনি এর পাশে একটি ছোট নোট লিখতে পারেন: “YES! আমি পেরেছি, আমি সবসময়ই পারবো… HURRAH”।

* উদাহরণ: আপনার পরীক্ষাকে কেন্দ্র করে আপনার লক্ষ্যগুলোকে ভাগ করে ফেলুন। আপনি যদি আপনার স্কুলের বার্ষিক পরীক্ষায় বা বিশ্ববিদ্যালয়ের পুরো সেমিস্টারে ভালো করতে চান, তাহলে আগে ফাইনালের দিকে মনোযোগ না দিয়ে বরং প্রথমে সেই ক্লাস-টেস্টগুলোর দিকে মনোযোগ দিন যেগুলোর নম্বর (বা মার্কস) ফাইনালের সাথে যুক্ত হবে।

* একইভাবে আপনার পেশাগত জীবনেও আপনার কাজগুলোকে (অন্যভাবে বলতে গেলে আপনার লক্ষ্য গুলোকে) ভাগ করে ফেলুন। অতঃপর, সহজেই সেগুলো একে একে সেরে ফেলুন (বা পূরণ করুন)।

আপনি যদি এমনটি করতে থাকেন, তাহলে আপনি খুব শীঘ্রই দেখবেন যে, আপনি খুব অল্প সময়ের মধ্যে অনেক কিছুই অর্জন করতে সক্ষম হয়েছেন।


Hits: 323

Leave a Reply

Your email address will not be published.