ছুটির দিনে আপনি যা যা করতে পারেন


ছুটির দিন। তা কোনো স্পেশাল দিবস হোক বা উৎসব কেন্দ্রিক ছুটি হোক বা সপ্তাহিক ছুটিই হোক না কেনো। যারা সবসময় ব্যস্ত থাকেন, তাদের জন্যে এই দিনটির গুরুত্ব অনেক।

তাই দিনটি অকেজো বা বৃথা যেতে দেওয়া ঠিক হবে কি? মোটেই ঠিক হবে না।

গুরুত্বপূর্ণ এই দিনটি আসার আগেই দিনটি নিয়ে আগাম পরিকল্পনা করে রাখুন। দিনটি কিভাবে কাটাবেন তা আগেভাগেই ভেবে রাখুন।


পরিবারকে পর্যাপ্ত সময় দিন। ছুটির দিনে পরিবারকে সময় দিবেন — এটাই স্বাভাবিক। কিন্তু অনেক সময় এই কাজটিই আমরা করি না।

ব্যস্ত জীবনে যেহেতু নানা কাজে জড়িত থাকার কারণে প্রতিদিন পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের পর্যাপ্ত সময় দেওয়া হয় না, তাই ছুটির দিন আসার আগেই পরিকল্পনা করুন তাদের সাথে কিভাবে দিনটি কাটাবেন।

তবে হ্যাঁ। কিছু সময় নিজের জন্যেও রাখুন। ঐ সময়ে ডায়েরি লিখুন, বই বা আর্টিকেল পড়ুন বা অল্প লেখালিখি করুন।


ডায়েরি লিখুন। অন্তত ছুটির দিনগুলোতে লিখুন। পারলে প্রতিদিন লিখুন।

জি! ঠিক শুনেছেন।

যখনই ছুটি পাবেন, তখনই নিজেকে নিয়ে ভাবুন। আপনার চারপাশ নিয়ে ভাবুন। এমনটি করলে আপনার মধ্যে স্বাভাবিকভাবেই উপলব্ধি জাগবে যে, ব্যস্ততার কারণে আপনি আসলে অনেক সুন্দর বিষয়গুলোই মিস করছিলেন।

দেড়ি না করে এই উপলব্ধিগুলোকেই ডায়েরিতে লিখে ফেলুন।

ভবিষ্যতে কোনো একসময়ে এই ডায়েরির পাতাগুলো পড়েই নিজেকে হয়তো আবার খুজে পেতে পারেন।

তাছাড়া ব্যস্ত জীবনে নিজের পছন্দ-অপছন্দ কি, সেটাই অনেক সময় নিজের বুঝে ওঠা সম্ভব হয় না। ছুটির দিনে ডায়েরিতে পছন্দ-অপছন্দের কথা লিখতে গিয়ে নিজের পছন্দ কি, তা হয়তোবা আবিষ্কার করা সম্ভব হবে।


অল্প লেখালেখি করুন। হয়তোবা ভাবছেন, লেখালেখি তো কঠিন কাজ।

ভুল।

এটি মোটেও কঠিন কাজ নয়। বরং পৃথিবীর সহজ কাজগুলোর মধ্যে এটি অন্যতম।

লেখালেখি করার জন্যে আপনাকে পণ্ডিত হওয়ার প্রয়োজন নেই।

দরকার লেখার ইচ্ছা পোষণ করা। ইচ্ছা পোষণ করুন যে আপনি লেখবেন, আর তারপর সাথে সাথে লেখা শুরু করুন। মাথায় যা কিছুই আসে তা লেখে ফেলুন।

লেখা শেষে আপনি চাইলে লিখাটি কোনো পত্রিকা, ম্যাগাজিন, জার্নাল বা কোনো অনলাইন প্রকাশনাকে পাঠিয়ে দিতে পারেন।

তারপর লিখাটি ছাপানো হলেই বলা যায় যে, ছুটির দিনকে কাজে লাগিয়ে আপনি একজন প্রকাশিত লেখক হয়ে গেলেন।


তাছাড়া ছুটির দিনে আপনি আরও যা কিছু করতে পারেন:

ব্যায়াম ও বিশ্রাম দুটোই করুন;

বই পড়ুন; বিভিন্ন ওয়েবসাইট থেকে ছোট ছোট আর্টিকেলও পড়তে পারেন;

চারপাশ সম্পর্কে জানুন, খবর দেখুন ও পড়ুন;

তবে দৈনন্দিন যে কাজগুলো করেন, সেগুলো করা থেকে বিরত থাকুন।


Hits: 903

Leave a Reply