মনে রাখবেন, সেরাটাই আপনার প্রাপ্য


আপনার সময় সীমিত। এটাকে অপরের হয়ে কাজ করে অপচয় করবেন না। অন্যের অনুশাসনের জালে আটকা পড়বেন না, অন্যদের মতবাদের হট্টগোল ও কোলাহলের নিচে আপনার অন্তরের কণ্ঠস্বরকে চাঁপা পড়তে দিবেন না।

আপনার নিজের অন্তরে যে অনুভূতি আছে সেটা অনুসরণ করাটাই বেশি গুরুত্বপূর্ণ। নিজের অন্তরের অনুভূতিগুলোই জানে আপনি প্রকৃতপক্ষে কি হতে চান। আপনার এই চাওয়াটাই মুখ্য, বাকি সবই গৌণ।

জীবন সম্পর্কে আপনার অনুভূতি

আপনি কি প্রতিদিন উৎসাহ-উদ্দীপনায় বসবাস করছেন? আপনি যা করছেন তা কি আপনার ভালো লাগে? আপনি কি প্রতিটি মুহূর্তে উদ্দীপ্ত, আনন্দিত? আপনি কি উম্মুখ হয়ে আছেন এই জানতে যে, পরবর্তীতে কি ঘটবে? যেভাবে আপনার জীবনটা সবচেয়ে সেরা উপায়ে কাটানো যেতো, সেই ভাবেই কি আপনার জীবনটা অতিবাহিত হচ্ছে?

আপনার ক্ষেত্রে উপরে উল্লেখিত একটাও প্রশ্নের উত্তর “না” অথবা “হয়তোবা” হয়ে থাকে, তার মানে হলো আপনার জীবনে অর্থবহ কিছুই হচ্ছে না; যেভাবে আপনার জীবনটা সবচেয়ে সেরা উপায়ে কাটানো যেতো, সেই ভাবে আপনার জীবন কাটছে না।

এমনটি কি হওয়া উচিত?

মোটেও এমনটি হওয়া উচিত নয়।

আপনি কি সেরাটাই চান না? সেরাটারই কি আপনার প্রাপ্য নয়?

অবশ্যই সেরাটা আপনার প্রাপ্য। তাহলে কেনো যা পাবেন তার চেয়ে কমে প্রাপ্তিতে ঢেকুর তুলবেন।

আপনার জীবনটা অর্থবহ করতে হলে কিছু বিষয় আপনাকে সর্বদা মেনে চলতে হবে। যেমন, অতীতের ভুলগুলোর জন্যে আফসোস না করে বরং ভুলগুলো থেকে শিক্ষা নিতে হবে।

“ইস! অতীতে ওই ভুলটা না করলে আজকে আমি খুব ভালো অবস্থানে থাকতাম” – এমন চিন্তা জীবনে দুঃখ ছাড়া অন্য কিছুই বয়ে আনতে পারেনা। অতীতের সব ভুলগুলো স্মৃতি থেকে মুছে ফেলে আপনারকে বর্তমান নিয়ে ভাবতে হবে।

গত বছর, গত সপ্তাহ বা গতকাল কি হয়েছিলো সেটা পেছনে ফেলে আজকে নতুন করে আরম্ভ করুণ। প্রতিটি দিনকেই আলাদা করে দেখুন; প্রতিদিনই নতুন করে জীবনকে শুরু করুণ।

এমনটা যদি করতে পারেন, তাহলে জীবনের অনেক বাঁধাকেই হাসিমুখে অতিক্রম করতে সক্ষম হবেন এবং জীবনকে পুরোপুরিভাবে অর্থবহ করে তুলতে পারবেন।


Hits: 349

Leave a Reply

Your email address will not be published.